সিলেটে টিসিবির পণ্য বিক্রিতে মানা হচ্ছে না সামাজিক দূরত্ব, বাড়ছে ঝুঁকি

সিলেটে নগরীতে প্রতিদিন ৯টি ট্রাকে করে বিক্রি হচ্ছে ট্রেডিং করপোরেশন অব বাংলাদেশ (টিসিবি)-এর পণ্য। এসব ট্রাকের পেছনে প্রতিদিন পণ্য কিনতে ভিড় করছেন বিপুল সংখ্যক ক্রেতা। এতে মানা হচ্ছে না সামাজিক দূরত্বের নির্দেশনা। ফলে বাড়ছে ঝুঁকি।

যদিও করোনাভাইরাস সংক্রমণের প্রেক্ষিতে সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখার উপর গুরুত্বারোপ করছেন বিশেষজ্ঞরা। সরকার থেকেও অন্তত ৩ ফুট দূরত্ব বজায় রেখে চলার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

বুধবার নগরীর কিন ব্রিজ, মদিনা মার্কেট ও দক্ষিণ সুরমার গোটাটিকর এলাকায় গিয়ে দেখা যায় ট্রাকে করে বিক্রি হচ্ছে টিসিবির পণ্য। পণ্য কিনতে ট্রাকের পেছনে ক্রেতাদের দীর্ঘ লাইন। ঘা ঘেঁষাঘেঁষি করে দাঁড়িয়ে আছেন সবাই। কেউ মানছেন না দূরত্ব বজায়ের নির্দেশনা।


টিসিবির ডিলাররা জানান, প্রতিটি ট্রাক থেকেই ভিড় করা ক্রেতাদের দূরত্ব বজায় রেখে দাঁড়ানোর কথা বলা হয়। তবে কেউ তা মানেন না।

বুধবার কিনব্রিজ এলাকায় টিসিবির লাইনে দাঁড়ানো মোশারফ হোসেন বলেন, ট্রাকে যে পরিমাণ পণ্য থাকে তারচেয়ে বেশি ক্রেতা প্রতিদিন লাইনে দাঁড়ান। তাই ফুরিয়ে যাওয়ার আগেই পণ্য সংগ্রহ করতে অনেকে দূরত্ব বজায়ের নির্দেশনা মানতে চান না। অন্যরা লাইন ভেঙে সামনে চলে যাওয়ার ভয়েও লাইনে দু’জনের মাঝখানে ফাঁকা জায়গা রাখেন না কেউ কেউ।

টিসিবি’র সিলেট কার্যালয় সূত্রে জানা যায়, বর্তমানে ৯টি ট্রাকে করে নগরীতে টিসিবির মাধ্যমে চিনি, চাল, তেল, ছোলা ও খেজুর বিক্রি করা হচ্ছে। প্রতিটি ট্রাকে প্রতিদিন ১০০০ কেজি চিনি, ৫০০ কেজি ছোলা, ১০০ লিটার তেল, ২০০ কেজি মসুরের ডাল, ও ১৫০ কেজি  খেজুর বিক্রি করা হয়। এরমধ্যে চিনি প্রতি কেজি ৫০ টাকা, ছোলা ৬০ টাকা, ডাল ৫০ টাকা, খেজুর ১২০ টাকা ও সয়াবিন তেল প্রতি লিটার ৮০ টাকা দরে বিক্রি করা হচ্ছে।


টিসিবি’র সিলেট বিভাগীয় প্রতিনিধি মো. ইসমাইল মজুমদার বলেন, আমাদের ডিলাররা সবসময় ক্রেতাদের সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখার কথা বলেন। অনেক স্থানে সড়কে দাগ টেনেও দেওয়া হয়েছে। এ বিষয়ে প্রশাসনের সদস্যরাও কাজ করছে। কিন্তু মানুষজন নির্দেশনা মানতে চায় না। সবাই আগে পণ্য নিয়ে নিয়ে যেতে চায়, তাই গাদাগাদি করে দাঁড়িয়ে থাকেন।

এ বিভাগের অন্যান্য