জ্বর মাপার মেশিনে চলছে করোনাভাইরাস পরীক্ষা

বিশেষ প্রতিবেদক : সিলেটে জ্বর মাপার মেশিন (হেন্ড হেল্ড থার্মোমিটার) দিয়েই চলছে করোনাভাইরাস পরীক্ষা। সিলেট জেলার তিন স্থলবন্দর তামাবিল, শেওলা, সুতারকান্দিতে হেন্ড হেল্ড থার্মোমিটার দিয়েই চলছে করোনাভাইরাস সনাক্তের কাজ।

একই অবস্থা সিলেট ওসমানী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরেও। এখানে হেন্ড হেল্ড থার্মোমিটারের মাধ্যমে চলছে পরীক্ষা-নিরীক্ষা। তবে এখানে বাড়তি নিরাপত্তার অংশ হিসেবে বিমানবন্দরে সিভিল সার্জনের বিশেষ একটি টিম কাজ করছে।

তবে এতো সব আয়োজন থাকলেও করোনা সনাক্তে রোগীর দেয়া তথ্যের উপর নির্ভর করতে হচ্ছে। কারণ যেসব যন্ত্রপাতি আছে তা দিয়ে শুধু শরীরের তাপমাত্রা নির্ণয় করা যায়। আর তাপমাত্রা বেশি থাকলে মেডিকেল টিম অন্যান্য উপসর্গ মিলিয়ে রোগী সনাক্তের কাজ করেন।

তবে সিলেটের সিভিল সার্জন প্রেমানন্দ মণ্ডল বলছেন সব জায়গা মেডিকেল টিম সাধ্যমতো কাজ করতে চেষ্ঠা করছে। বিভিন্ন স্থলবন্দরের মেডিকেল টিম রয়েছে। এছাড়া সিলেট ওসমানী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের পুরোটা সময় একজন চিকিৎসকের নেতৃত্বে ৩ সদস্যের একটি মেডিকেল টিম কাজ করছে।

পুরনো থার্মাল স্ক্যানার নষ্ট থাকলেও ঢাকায় নতুন পাঁচটা স্ক্যানার এসেছে জানিয়ে তিনি বলেন, আগামী দু’তিন দিনের মধ্যে থার্মাল স্ক্যানার সিলেট এসে পৌছাবে। এটি এলে আমাদের কাজ করতে আরও বেশি সুবিধা হবে।

কি ধরণের সুবিধা হবে জানতে চাইলে তিনি বলেন, এই স্ক্যানার দিয়ে সহজে মানুষের শরীরের তাপমাত্রা মাপা যায়। মানুষের কাছে না গিয়ে একটি নির্দিষ্ট দূরত্ব থেকে এই স্ক্যানারের সাহায্য জ্বর মাপা যায়। এছাড়া এটিতে আর তেমন কোন সুবিধা নাই। যদি কেউ আসার কিছুক্ষণ আগে প্যারাসিটামল ক্যাপসুল খায়। আর এতে তার শরীরের তাপমাত্রা কমে যায়, তাহলে এটি স্ক্যানারে আসবে না।

তবে কি রোগীর তথ্যের উপর নির্ভর করেই করোনা সনাক্ত করতে হচ্ছে এমন প্রশ্নের জবাবে- সিভিল সার্জন বলেন, রোগী যদি তার সমস্যাগুলো লুকিয়ে রাখে। অর্থ্যাৎ করোনার যে সব উপসর্গ লুকিয়ে রাখে তাহলে আমরা সনাক্ত নাও করতে পারি। এজন্য সবাইকে এগিয়ে আসতে হবে।

অন্যদিকে বিমানবন্দরের ম্যানেজার হাফিজ আহমেদ জানান, বাড়তি নিরাপত্তার অংশ হিসেবে ইন্টারম্যাশনাল সব যাত্রীদের চেক করে দেশে প্রবেশ করানো হচ্ছে। তিনিও সিভিল সার্জন টিমের উপর নির্ভর করছেন বলে জানান।

এ বিভাগের অন্যান্য