নেতা কর্মীদের ভালোবাসায় সিক্ত কামরান

নিউজ ডেস্ক: বদর উদ্দিন আহমদ কামরান আওয়ামী লীগের একনিষ্ট এক নেতা। তাঁর হৃদয়জুড়ে বঙ্গবন্ধু আওয়ামী লীগ এবং শেখ হাসিনা।
দীর্ঘদিন মহানগর আওয়ামী লীগের নেতৃত্বে থাকায়- সিলেট মহানগর আওয়ামী লীগ মানে বদর উদ্দিন আহমদ কামরান এধরনের একটা অবস্থান তিনি তৈরী করতে সক্ষম হয়েছিলেন। দলমত নির্বিশেষে তিনি নগরবাসীর সুখে দু:খে পাশে থাকেন। যে কোনো দুর্যোগ কিংবা অস্থিতিশীল অবস্থা সৃষ্টি হলে তিনি সবার আগে ঘটনাস্থলে হাজির হোন।
পুনরায় আওয়ামী লীগের সদস্য হবার পর তিনি নেতা-কর্মী এবং সাধারণ মানুষের ভালোবাসার স্রোতে ভাসছেন। হাজারো মানুষের ঢল নামে কামরান ভবনে। শুভেচ্ছা, অভিনন্দন আর শুভকামনা শব্দের ধ্বনি যেন কামরানের চারদিক ঘিরে রেখেছে।

গত বৃহস্পতিবার আওয়ামী লীগের পূর্ণাঙ্গ কমিটিতে সদস্য পদ লাভ করেন বদর উদ্দিন আহমদ কামরান। এরপর থেকে সিলেটে নেতাকর্মীদের উষ্ণ অভিনন্দনে সিক্ত হয়েছেন তিনি।

বদর উদ্দিন আহমদ কামরান কর্মী বান্ধব নেতা হিসেবেই পরিচিত। দীর্ঘদিন নগর আওয়ামী লীগের সভাপতি ও সিসিক’র মেয়রের দায়িত্ব পালন করায় নগর জুড়ে তার ব্যাপক জনপ্রিয়তা রয়েছে।

সদস্য নির্বাচিত হয়েই বদর উদ্দিন আহমদ কামরান আজ শুক্রবার বাদ আছর হযরত শাহজালাল (রহ.) মাজার জিয়ারত করেন। পরে সেখান থেকে নেতাকর্মীদের সাথে নিয়ে চৌহাট্টাস্থ সিলেট কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে এসে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন।

এসময় উপস্থিত ছিলেন সিলেট মহানগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক জাকির হোসাইন, সাবেক সহ-সভাপতি আব্দুল খালিক, জগদীশ চন্দ্র দাস, এড. রনজিত সরকার, বিধান কুমার সাহা, জুবের খান, তপন মিত্র, কাউন্সিলর এড. ছালেহ আহমদ সেলিম, সিলেট মহানগর যুবলীগের সভাপতি আলম খান মুক্তি, সাধারণ সম্পাদক মুসফিক জায়গীরদার, মহানগর স্বেচ্ছাসেবক লীগের সাধারণ সম্পাদক দেবাংশু দাস মিঠু সহ আওয়ামীলীগ যুবলীগ, ছাত্রলীগের নেতৃবৃন্দ।

বদর উদ্দিন আহমদ আহমদ কামরান বলেন, ‘আমি আওয়ামী লীগকে হৃদয়ে ধারণ করি। আমি জননেত্রী শেখ হাসিনার একজন কর্মীমাত্র, তিনি আমাকে যখন যে দায়িত্ব দেবেন সে দায়িত্ব আমি পালন করবো। তিনি বলেন, জীবনের সবচেয়ে বড় সফলতা হলো মানুষের ভালোবাসা অর্জনকরা। সত্যি আমি অভিভূত আমার দলের নেতাকর্মী এবং সিলেটের মানুষের ভালোবাসায়’।

এ বিভাগের অন্যান্য