বানিয়াচংয়ে সড়ক দুর্ঘটনায় শিশু নিহত

নিউজ ডেস্ক: বানিয়াচং-হবিগঞ্জ আঞ্চলিক মহাসড়কের শরীফ উদ্দিন আহমেদ সড়কের কাছাকাছি স্থানে ট্রাকের ধাক্কায় সিএনজিতে থাকা যাত্রী জায়েদ মিয়া (৭) নিহত হয়েছে।

এই ঘটনায় আহত হয়েছে ৩ জন। নিহত জায়েদ মিয়া আজমিরীগঞ্জ উপজেলার শিবপাশা ইউনিয়নের হুমায়ুন মিয়ার পুত্র। অপরদিকে এ ঘটনায় আহত হয়েছে জায়েদের মা করিমা বেগম ,চাচি কিলকিস আক্তার ও তার ছেলে আবুল কাশেম। গুরুতর আহত অবস্থায় তাদেরকে হবিগঞ্জ সদর হাসপাতালে পাঠানো হযেছে।

খবর পেয়ে বানিয়াচং থানা পুলিশের এসআই গোপাল কৈরিসহ একদল ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে বানিয়াচং থানায় নিয়ে আসেন।

বৃহস্পতিবার (১২ডিসেম্বর) বিকাল সাড়ে তিনটায় উল্রিখিত স্থানে এই দুর্ঘটনা ঘটে। নিহত জায়েদের বাবা হুমায়ুন মিয়া জানান,আমার স্ত্রী করিমা বেগম ভাবি বিলকিস আক্তার, ছেলে জায়েদ মিয়া ও ভাতিজা আবুল কালামকে নিয়ে হবিগঞ্জের শাহপুর গ্রামে মেয়ের বাড়িতে বেড়াতে যাওয়ার জন্য রওয়ান দেয়।

পতিমধ্যে বানিয়াচং-হবিগঞ্জ রোডের শরীফ উদ্দিন আহমেদ রোডের কাছাকাছি যাওয়া মাত্রই হবিগঞ্জ থেকে ছেড়ে আসা ইট বোঝাই ট্রাক ( হবিগঞ্জ-ড/১১০০৯৭) সিএনজিকে ট্রাকের সামনের ডানদিক ধেকে ধাক্কা দেয়। ট্রাকের ধাক্কায় ঘটনাস্থলে আমার ছেলে জায়েদের মাথার মগজ ছিটকে রাস্তার উপরে পরে যায়।সেখানেই তার মৃত্যু হয়।

প্রত্যক্ষদর্শী কয়েকজনের সাথে কথা বলে জানা গেছে-দুর্ঘটনার পর নিহত জায়েদের মাথার মগজ রাস্তার উপর পড়ে থাকতে দেখেন। পরে পুলিশ আসার পর মাথার মগজকে রাস্তা থেকে কুড়িয়ে দুর্ঘটনায় কবলিত সিএনজিতে তোলে দেয়া হয়। অন্যদিকে নিহত জায়েদের মা কারিমা বেগমের দুই পা ভেঁঙ্গে গেছে বলে জানিয়েছেন তারা।

এ ঘটনায় সিএনজিতে থাকার অপর যাত্রীরা আহত হয়। তাদেরকে আশেপাশের মানুষ উদ্ধার করে হবিগঞ্জ সদর হাসপাতালে পাঠানোর ব্যবস্থা করেন। দুর্ঘটনার পরপরই ট্রাকের চালক পালিয়ে যায়।

বানিয়াচং থানার ওসি রঞ্চন কুমার সামন্ত ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে জানান, খবর পেয়েই দ্রুত ঘটনাস্থলে যায় পুলিশ। ট্রাক ও সিএনজি চালকরা পালিয়ে গেলেও গাড়িগুলো আটক করে থানায় নিয়ে আসা হয়েছে। পাশাপাশি নিহত জায়েদের মরদেহও আনা হয়েছে।ঘাটক ট্রাক চালককে আটকের চেষ্টা করে যাচ্ছে পুলিশ জানিয়েছে তিনি।

এ বিভাগের অন্যান্য