দিরাইয়ে মুদিদোকানে লুটের অভিযোগ

দিরাই প্রতিনিধি: দিরাইয়ে মুদি দোকানে হামলা চালিয়ে পেঁয়াজ সহ বিভিন্ন পণ্যসামগ্রী লুটের অভিযোগ পাওয়া গেছে। বুধবার সন্ধ্যায় দিরাই পৌরসভার সেলুন পট্টির সংখ্যালঘুদের মুদি দোকানে এ হামলা ও লুটের ঘটনা ঘটে। খবর পেয়ে উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান মঞ্জুর আলম চৌধুরী ও পৌরসভার মেয়র মোশাররফ মিয়া ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন এবং জড়িতদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের আশ্বাস দেন। বিলাস স্টোরের স্বত্ত্বাধিকারী ধীরেন্দ্র দেবনাথ বলেন বুধবার সন্ধ্যায় দিরাই চন্ডিপুর গ্রামের বাসিন্দা আবুল মিয়ার ছেলে জুয়েল মিয়া ও মুকিত পীর সাবের ছেলে ফরহাদ মিয়া আমার ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে এসে প্রতি কেজি পেঁয়াজ ৭০ টাকা বিক্রির জন্য বলেন, এতে আমি অপারগতা প্রকাশ করে বলি ১৪০ টাকা দরে ক্রয় করা পেঁয়াজ ৭০ টাকা করে বিক্রি সম্ভব নয়। এতে তারা ক্ষীপ্ত হয়ে আরো ২০-২৫ জন কে সাথে নিয়ে আমার দোকান থেকে জোরপূর্বক নিজ হাতে ব্যাগ ভর্তি করে পেঁয়াজ ও দোকানের সামনে রাখা বিভিন্ন পণ্যসামগ্রী নিয়ে যান। একই অভিযোগ করেন পার্শ্ববর্তী লক্ষি স্টোরের স্বত্ত্বাধিকারী লক্ষি কান্ত রায়, বাবুল স্টোরের স্বত্ত্বাধিকারী বাবুল দাস,কুতুব স্টোরের স্বত্ত্বাধিকারী কুতুবুদ্দিন, অনুকূল স্টোরের স্বত্ত্বাধিকারী অনুকূল রায়, লুকেশ স্টোরের স্বত্ত্বাধিকারী লুকেস দাস। মুদিদোকান ব্যবসায়ী সমিতির সাধারণ সম্পাদক শহিদুল ইসলাম বলেন পেঁয়াজের মূল্য নির্ধারণের কোন নির্দেশনা প্রশাসন থেকে আমাদের দেওয়া হয়নি, ১৪০ টাকা দরে পেঁয়াজ ক্রয় করে ৭০ টাকা বিক্রি করা কোনভাবেই সম্ভব নয়, বাজারের ৫ টি দোকান থেকে জোরপূর্বক লক্ষাধিক টাকার পেঁয়াজ নেওয়া খুবই দুঃখজনক, আমাদের সমিতির পক্ষ থেকে এর প্রতিবাদে বৃহস্পতিবার দুপুরে মানববন্ধনের আয়োজন করা হয়েছে। আমরা প্রশাসনের কাছে লিখিত অভিযোগ দায়ের করবো। এ ব্যাপারে দিরাই থানার অফিসার ইনচার্জ কেএম নজরুল ইসলাম বলেন বাজার কমিটির নেতৃবৃন্দ আমাকে বিষয়টি জানিয়েছেন, অভিযোগ পেলে তদন্তপূর্বক আইনানুগব্যবস্থা গ্রহন করা হবে। পেঁয়াজ বিক্রি সংক্রান্ত কোন নির্দেশনা রয়েছে কিনা জানতে চাইলে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেট মোহাম্মদ সফি উল্লাহ জানান এরকম কোনো নির্দেশনা প্রশাসনের পক্ষ থেকে দেওয়া হয়নি, তবে নিত্য প্রয়োজনীয় সামগ্রীর মূল্য স্থিতিশীল রাখতে প্রশাসন সার্বক্ষণিক বাজার মনিটরিং করছে।

এ বিভাগের অন্যান্য