স্বাস্থ্য ঝুঁকিতে হাওর পারের মানুষ

মৌলভীবাজার প্রতিনিধি : অস্বাস্থ্যকর স্যানিটেশন ও নলকুপের বিশুদ্ধ পানির অভাবে স্বাস্থ্য ঝুঁকিতে রয়েছেন মৌলভীবাজারের রাজনগর উপজেলার কাউয়াদীঘির হাওর পারের জনগোষ্টি।

সরজমিনে গিয়ে দেখা যায়, রাজনগর উপজেলার হাওর কাউয়াদীঘির পূর্বাঞ্চলে অবস্থিত পাঁচগাঁও ইউনিয়নের পশ্চিম ভাগ (কান্দিগাঁও), আমির পুর, রক্তা, খালদার, কেনেলের পারসহ বেশ কিছু গ্রামে রয়েছে স্বাস্থ্যসম্মত স্যানেটারী লেট্রিন ও নলকুপের বিশুদ্ধ পানির অভাব। অনেককে দেখা যায় নদীর পারের ডোবাতে নোংরা পানিতে গোসল করতে ও রান্নার কাজে ব্যাবহত আসবাবপত্র ধৌত করতে এবং রান্না করার জন্য পানি সংগ্রহ করছেন। ১০ থেকে ১৫ পরিবার একটি নলকুপ থেকে পানি নিচ্ছেন।

জানা য়ায়, অনেকেই আবার ডোবার পানি খাচ্ছেন। বেশির ভাগ ঘরের পাশে রয়েছে বাসের তৈরী খোলা লেট্রিন। যার দুর্গন্ধ ছড়িয়ে পড়ছে চারপাশে।ফলে স্বাস্থ্য ঝুঁকিতে সব সময় তাকেন হাওর তীরের জনগোষ্টিরা।

হাওর পারের কান্দিগাঁও গ্রামের, সামছুল মিয়া, কালামসহ অনেকেই জানান, তারা দিন মজুরের কাজ করে সংসার চালান। নলকুপ ক্রয় করে স্থাপন করার মতো সামত্য তাদের নেই। তারা অনেক দুর থেকে অন্যের নলকুপ থেকে পানি সংগ্রহ করেন। আবার অনেক সময় ডোবার পানি পান করে থাকতে হয়। ডোবার নোংরা পানি ব্যাবহারের কারনে তাদের পরিবারের প্রায় সবার এলার্জিজনিত রোগ লেগেই তাকে। সরকারের কাছে দাবি জানান স্বাস্থ্যসম্মত লেট্রিন ও নলকুপ দিয়ে তাদের উন্নত স্বাস্থ্য নিশ্চিত করতে।

আমিরপুর গ্রামের আয়াজ মিয়া, জরিনা বিবিসহ অনেকেই বলেন, আমরা লেট্রিন ও নলকুপের জন্য মেম্বার চেয়ারম্যন সহ অনেকের কাছে গিয়েছি কোথায়ও পাইনি।

রাজনগর জনস্বাস্থ্য প্রকৌশলী অফিসের উপ-সহকারী প্রকৌশলী মো. রাজীব আহমেদ বলেন, হাওর পারের মানুষের উন্নত স্বাস্থ্য নিশ্চিৎ করার লখ্যে বাংলাদেশ সরকার জনস্বাস্থ্য অধিদপ্তরের আওয়াতায় একটি প্রকল্প হাতে নিয়েছে । এই প্রকল্পর মধ্যে মৌলভীবাজার জেলা ও রয়েছে। আশা করি ২০২০ সালের জানুয়ারি থেকে হাওর পারের জনগোষ্টির স্বাস্থ্যসম্মত স্যানেটেশন ও বিশুদ্ধ পানি নিশ্চিত করতে কাজ শুরু হবে।

এ বিভাগের অন্যান্য