কোম্পানীগঞ্জে আলোচিত শুক্কুর হত্যার আসামী গ্রেফতার

নিউজ ডেস্ক: কোম্পানীগঞ্জের আলোচিত শুক্কুর হত্যাকান্ডের অন্যতম আসামী, উপজেলা পরিষদের আলোচিত চেয়ারম্যান শামীম আহমদের ঘনিষ্ঠ সহযোগী উপজেলা যুবলীগের আহ্বায়ক কমিটির অন্যতম সদস্য ও উপজেলার শীর্ষ সন্ত্রাসী জামাল আহমদ ওরফে টাকলা জামালকে (৩২) গ্রেপ্তার করেছে কোম্পানীগঞ্জ থানা পুলিশ।

রবিবার পৌনে ১২টায় উপজেলা সদর থেকে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।
জামাল আহমদের বিরুদ্ধে কোম্পানীগঞ্জ থানায় হত্যা, পুলিশ এসল্ট ও বিশেষ ক্ষমতা আইনে ৩টি মামলা রয়েছে বলে জানিয়েন পুলিশ।

জানা যায়, গত বছরের ২১ নভেম্বর কোম্পানীগঞ্জের পাড়ুয়া এলাকায় তিনতলা নামক স্থানে প্রকাশে দিবালোকে জামাল ও হাবিবের নেতৃত্বে অন্তত ১৫/২০ জন সন্ত্রাসী শুক্কুরকে উপুর্যুপরি ছুরিকাঘাত এবং দা, কিরিছ, চাকু ও ডেগার দিয়ে খুচিয়ে খুচিয়ে হত্যা করে। হত্যাকারীরা শুক্কুরের মৃত্যু নিশ্চিত করে প্রকাশ্যে বীরদর্পে চলে যায়। শুক্কুর আলী খুন হওয়ার ৬ দিন আগে ২০১৮ সালের ১৪ নভেম্বর তার জীবনের নিরাপত্তা চেয়ে ৫ জনের নাম উল্লেখ করে কোম্পানীগঞ্জ থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেছিলেন তার স্ত্রী পিয়ারা বেগম (নম্বর-৬২০)।

শুক্কুর হত্যাকাণ্ডের পর তার স্ত্রী বাদী হয়ে গত বছরের ২১ নভেম্বর সেই ৫ জনের নাম উল্লেখ করে ও ৩-৪ জনকে অজ্ঞাত আসামী করে কোম্পানীগঞ্জ থানায় হত্যা মামলা (নম্বর-১৭) দায়ের করেন। মামলাটি পরবর্তীতে আদালতের নির্দেশে পিবিআইতে হস্তান্তর করা হয়। হত্যাকাণ্ডের ১১মাস পেরিয়ে গেলেও পিবিআই এজাহারভুক্ত ২ আসামীকে গ্রেপ্তার করতে পারলেও ঘটনার মূল নায়ক টাকলু জামাল ও হাবিবসহ ৩ জন রয়ে যায় ধরাছোঁয়ার বাইরে।

শুক্কুরের স্ত্রী পিয়ারা বেগম ও শুক্কুরের ভাই আব্দুল খালিক দাবি করেন, শুক্কুরের খুনি যুবলীগ নেতা ও শীর্ষ সন্ত্রাসী টাকলু জামাল প্রকাশ্যে এলাকায় মিছিল মিটিংসহ চাঁদাবাজিসহ নানা অপকর্মে তার সরব উপস্থিতি থাকলেও রহস্যজনক কারণে পিবিআই তাকে গ্রেপ্তার করে নি।

শুক্কুর হত্যা মামলার ২ নম্বর আসামী জামাল আহমদ ওরফে টাকলু জামাল গ্রেপ্তারের বিষয়টি করেছেন কোম্পানীগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) তাজুল ইসলাম। সোমবার তাকে আদালতে হাজির করা হবে বলে নিশ্চিত করেন তিনি।

এ বিভাগের অন্যান্য