বিশ্বনাথে সেই ফরিদের দাফন সম্পন্ন

নিউজ ডেস্ক:   দালালদের মাধ্যমে ইউক্রেন থেকে ফ্রান্স যাওয়ার পথে স্লোভাকিয়ার গভীর জঙ্গলে নিহত হওয়া সিলেটের বিশ্বনাথ উপজেলার সদর ইউনিয়নের কারিকোনা গ্রামের সমসাদ আলীর পুত্র সাবেক ব্যাংক কর্মকর্তা ফরিদ উদ্দিন আহমদের (৩৮) দাফন সম্পন্ন হয়েছে। শুক্রবার বেলা ২টায় কারিকোনা বায়তুল মামুর জামে মসজিদ প্রাঙ্গনে মরহুমের জানাযার নামাজ অনুষ্ঠিত হয়। জানাজায় বিপুল সংখ্যক মানুষ অংশগ্রহণ করেন। জানাজা শেষে পারিবারিক কবরস্থানে তাকে দাফন করা হয়। জানাযা নামাজের ইমামতি ও দোয়া পরিচালনা করেন নিহতের চাচাতো ভাই মাওলানা লুৎফুর রহমান।

জানাযার নামাজের পূর্বে নিহত ফরিদ সম্পর্কে স্মৃতিচারণ ও সমবেদনা জ্ঞাপন করে বক্তব্য রাখেন উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ও জেলা আওয়ামী লীগের উপদেষ্টামন্ডলীর সদস্য এস এম নুনু মিয়া, জেলা পুলিশের অতিরিক্ত পুুলিশ সুপার (ওসমানীনগর সার্কেল) সাইফুল ইসলাম, উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান ও বিএনপি নেতা সুহেল আহমদ চৌধুরী। নিহতের পরিবারের পক্ষে বক্তব্য রাখেন মরহুমের চাচা আবদুল শুকুর।

জানাযার নামাজে উপস্থিত ছিলেন বিশ্বনাথ থানার অফিসার ইনচার্জ শামীম মুসা, উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি পংকি খান, বিশ্বনাথ সদর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ছয়ফুল হক, মাওলানা আহমদ আলী হেলালী, ব্যবসায়ী উলফত আলী, সিরাজ মিয়া এবং রাজনৈতিক, সাংবাদিক, সামাজিক, সাংস্কৃতিক, ব্যবসায়ী, ব্যাংকারসহ বিভিন্ন শ্রেণী-পেশার ব্যক্তিবর্গ।

এর আগে কাল বৃহস্পতিবার বিমানের একটি ফ্লাইটে সকাল ১০টায় সিলেট ওসমানী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে নিহতের মরদেহ পৌঁছে। পরে মরদেহ নিয়ে যাওয়া হয় ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল মর্গে। সেখানে সুরতহাল রিপোর্ট ও  ময়নাতদন্ত শেষে নিহত ফরিদের লাশ গ্রামের বাড়িতে নিয়ে আসা হয়।

উল্লেখ্য, ২০১৮ সালে বিশ্বকাপ ফুটবল খেলা দেখতে রাশিয়া গিয়েছিলেন ফরিদ। সেখান থেকে ফরিদ ইউক্রেন চলে যান। চলতি বছরের ২৮ আগস্ট ইউক্রেন থেকে ফ্রান্স যাওয়ার পথে স্লোভাকিয়ার একটি জঙ্গলে নিখোঁজ হন তিনি। ৯ সেপ্টেম্বর সে দেশের পুলিশ ফরিদের লাশ উদ্ধার করে একটি মর্গে রাখে। দীর্ঘ একমাস পরে বাংলাদেশ সরকার পক্ষে পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আব্দুল মোমেন এমপির প্রচেষ্টায় ফরিদের লাশ দেশে ফেরত আনা সম্ভব হয়

এ বিভাগের অন্যান্য