জানা গেছে- সানির মা একটি বেসরকারি ক্লিনিকে আয়ার চাকরি করেন। বৃহস্পতিবার বিকেলে কাজে গিয়ে রাত ১১ টার দিকে বাসায় ফিরে দেখেন ভেতর থেকে ঘরের দরজা লাগানো। এ অবস্থায় অনেক ডাকাডাকি করার পরও দরজা না খোলায় প্রতিবেশী ও স্থানীয় ওয়ার্ড কাউন্সিলরকে বিষয়টি জানালে তারা পুলিশে খবর দেন। পরে কোতোয়ালী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা সেলিম মিয়ার নেতৃত্বে একদল পুলিশ ঘটনাস্থলে ঘরের দরজা ভেঙে ঝুলন্ত অবস্থায় তার মরদেহ উদ্ধার করে।

কোতোয়ালী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা সেলিম মিয়া জানান- মরদেহ উদ্ধারকালে সানির লেখা একটি চিরকুট পাওয়া গেছে। যেখানে সে লিখে ‘আমি মরতে চাইনি। আমার মৃত্যুর জন্য কেউ দায়ী নয়।’ ওই চিরকুটে সে মায়ের কাছেও ক্ষমা চায় সে।

তিনি বলেন- সানি বিবাহিত হলেও বেশ কিছুদিন থেকে পারিবারিক কলহের জের ধরে একমাত্র ছেলেকে নিয়ে তার স্ত্রীর বাপের বাড়ি বসবাস করছে। স্ত্রীর সাথে অভিমান করে সে আত্মহত্যা করেছে বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে। মরদেহটি পোস্ট মর্টেমের জন্য সিলেট ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রেরণ করা হয়েছে বলে তিনি জানান।