সর্বশেষ
মাধবপুরে সাজাপ্রাপ্ত আসামি গ্রেপ্তার         ‘সাদা পাথর’ ট্যুরিস্ট বাস চালু         গাজীপুরে ফ্যান কারখানায় আগুন, নিহত ১০         চার লেন হচ্ছে সিলেট-তামাবিল সড়ক         দক্ষিণ সুরমায় ইয়াবাসহ আটক ২         দিরাইয়ে দুই পক্ষের সংঘর্ষ: নিহত ১         শ্রীমঙ্গলে দেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা         শায়েস্তাগঞ্জে সিএনজি ও পুলিশ ভ্যানের সংঘর্ষ: আহত ৫         নগরীর বন্দরবাজারে আসামী গ্রেফতার         মেজরটিলায় জালনোট ও ইয়াবাসহ ২জন আটক         হবিগঞ্জে সুদের জালে সর্বশান্ত অনেকেই, দিচ্ছেন আত্মাহুতি         তাহিরপুরে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে ২ লাখ টাকার ক্ষতি         বিনম্র শ্রদ্ধায় শহীদ বুদ্ধিজীবীদের স্মরণ করছে জাতি         হবিগঞ্জে সড়ক দূর্ঘটনায় শ্রমিকের মৃত্যু         নগরে ডিজিটাল বাংলাদেশ দিবস উপলক্ষে র‍্যালি-আলোচনা        

হাসপাতালের ফ্লোরে ট্রেন দুর্ঘটনায় নিহত সোহার লাশ

নিউজ ডেস্ক: রাত পৌনে ৩টা। নীরবতার চাদরে সবাই ঘুমে বিভোর। ঘুম ভেঙে গেল হঠাৎ বিকট শব্দে। চোখ খুলে অনেকেই দেখলো চারদিক রক্তাক্ত। বাঁচার আর্তনাদ, চিৎকার আর আহাজারি।

মঙ্গলবার (১২ নভেম্বর) রাত পৌনে ৩টার দিকে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার কসবা উপজেলার মন্দবাগ রেলওয়ে স্টেশনে চট্টগ্রাম থেকে ছেড়ে আসা আন্তঃনগর ঢাকাগামী তূর্ণা নিশীথা ও সিলেট থেকে ছেড়ে আসা চট্টগ্রামগামী আন্তঃনগর উদয়ন এক্সপ্রেস ট্রেনের মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত ১৬ জনের মৃত্যুর খবর নিশ্চিত হওয়া গেছে। আহত হয়েছেন শতাধিক যাত্রী।

অনেকেই এখনও খুঁজে পাননি স্বজনদের। এরই মধ্যে দুটি শিশুর রক্তাক্ত দেহ মনে দাগ কেটেছে সবার। এদের মধ্যে একটি শিশু জীবিত থাকলেও অপর শিশুর নিথর দেহ পড়ে আছে ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর হাসপাতালের ফ্লোরে। তার নাম সোহা (৩)। সে হবিগঞ্জের বানিয়াচং উপজেলার সোহেলের মেয়ে।

সোহার মামা জামাল উদ্দিন সংবাদমাধ্যমকে বলেন, ট্রেন দুর্ঘটনার খবর পেয়ে এখানে ছুটে আসি। হাসপাতালের ফ্লোরে সোহাকে এভাবে দেখব কল্পনাও করিনি।

এদিকে হাসপাতালের ফ্লোরে সোহার নিথর দেহ পড়ে থাকতে দেখে কাঁদছে সবাই। হাসপাতালে আনার পর তার পরিচয় পাওয়া না গেলেও কিছুক্ষণ পর জানা যায় হবিগঞ্জের সোহেলের মেয়ে সোহা।

ট্রেন চালকের ভুলের কারণেই ভয়াবহ এ দুর্ঘটনা ঘটেছে বলে জানিয়েছেন মন্দবাগ রেল স্টেশনের মাস্টার জাকির হোসেন চৌধুরী। তিনি বলেন, আউটার ও হোম সিগন্যালে লালবাতি (সর্তক সংকেত) দেয়া ছিল। কিন্তু তূর্ণা নিশীথার চালক সিগন্যাল অমান্য করে ঢুকে পড়ায় এ দুর্ঘটনা ঘটেছে।

জেলা প্রশাসক হায়াৎ উদ-দৌলা খান জানিয়েছেন, চালকের ভুলেই ভয়াবহ ট্রেন দুর্ঘটনা ঘটেছে। দুর্ঘটনার পরপরই রেল কর্তৃপক্ষ স্থানীয় বাসিন্দাদের সঙ্গে নিয়ে উদ্ধার কাজ শুরু করে। পরে ফায়ার সার্ভিস, ও পুলিশ সদস্যরা উদ্ধার কাজে যোগ দেন।

তূর্ণা নিশীথার যাত্রী কাজি ফজলে রাব্বি বলেন, উদয়ন এক্সপ্রেস ঢোকার আগেই বিপরীত দিক থেকে তূর্ণা নিশীথা এসে ধাক্কা দেয়। আমরা তখন ঘুমিয়েছিলাম। শব্দ পেয়ে আমরা তাড়াতাড়ি করে ট্রেন থেকে নেমে পড়ি।

উদয়ন এক্সপ্রেসের যাত্রী নুরুল ইসলাম বলেন, আমাদের ট্রেনটি লাইন ক্রস করার সময় দ্রুত গতিতে এসে তূর্ণা ধাক্কা দেয়। আমি সামনের বগিতে থাকায় আহত হইনি। পেছনের তিনটি বগির যাত্রীরা গুরুতর আহত হয়েছেন।

মন্দবাগের স্থানীয় বাসিন্দা সালাম বলেন, গভীর রাতে হঠাৎ বিকট শব্দ শুনতে পাই। ঘর থেকে বের হয়ে এসে দেখি কান্নার শব্দ। এখানে সেখানে ছিটকে পড়ে আছে মরদেহ। পরে এলাকার সবাই বেরিয়ে আহতদের উদ্ধার করার চেষ্টা করি।






Related News

  • শেখ হাসিনার উন্নয়নের ম্যাজিক জানতে চান জাপানের প্রধানমন্ত্রী
  • চলে গেলেন কুলাউড়ার ভাষাসৈনিক রওশন আরা বাচ্চু
  • এবার বিপিএল মাতাবেন সালমান-ক্যাটরিনা
  • শুরু হলো বিজয়ের মাস: সিলেটে বর্ণাঢ্য বিজয় শোভাযাত্রা
  • সাত আসামির মৃত্যুদণ্ড, একজন খালাস
  • ধর্মঘট স্থগিত, ঢাকা-চট্টগ্রাম-সিলেট সড়কে যান চলাচল শুরু
  • বুধবার থেকে পণ্য পরিবহন ধর্মঘটের ডাক
  • এবার নদীতে ফেলা হচ্ছে পেঁয়াজ!
  • Leave a Reply

    Your email address will not be published. Required fields are marked *