বৃহস্পতিবার, ০৭ মার্চ ২০১৯ ০৭:০৩ ঘণ্টা

সিলেট সরকারি কর্মকর্তার বিরুদ্ধে অনিয়মের অভিযোগ

সিলেট সরকারি কর্মকর্তার বিরুদ্ধে অনিয়মের অভিযোগ

সিলেট শিক্ষাবোর্ডের জনৈক সেকশন অফিসার সাইফুল ইসলামের বিরুদ্ধে বিভিন্ন অনিয়মের অভিযোগ উঠছে। জানা যায় এ কর্মকর্তা সরকারের নির্দেশ উপেক্ষা করে বিভিন্ন দিবসের কর্মসূচিতে অনুপস্থিতি ও নারীকেলেংকারীতে অভিযুক্ত থাকায় বোর্ডের কর্মকর্তা কর্মচারী মধ্যে ক্ষোভ সৃষ্টি হয়েছে। এ বিষয়ে বোর্ডের এক কর্মকর্তা বলেন, প্রজাতন্ত্রের কর্মকর্তা হয়ে সরকারের বিরুদ্ধে তাঁর অবস্থান অত্যন্ত পরিতাপের বিষয়। ঘটনার সততা স্বীকার করে বোর্ডের সচিব মোস্তফা কামাল বলেন জাতীয় দিবসের অনুষ্ঠানে অনুপস্থিতি দুঃখজনক। তিনি একবার নয় অসংখ্যবার জাতীয় দিবসে অনুষ্ঠানে থাকেন না যা অবমাননাকর। এ ব্যাপারে নেতৃবৃন্দ জানান বোর্ডের চেয়ারম্যান প্রফেসর আব্দুল কুদ্দুসের নিকট এপ্লয়ীজ ইউনিয়নের পক্ষে হুশিয়ার করেও কোনো অগ্রগতি হয়নি। বোর্ডেও কর্মকর্তারা বলেন আজ পর্যন্ত তার বিরুদ্ধে কোনো পদক্ষেপ না নিয়ে এ বিষয়টি কেন এড়িয়ে যাওয়া হচ্ছে সেটা নিয়ে বোর্ডে চলছে গ্রুপিং।

জানা যায়, প্রাথমিকভাবে কারণ দর্শানোর নোটিশ দেয়া হয়েছে। অভিযোগে বলা হয় সিলেট শিক্ষা বোর্ডের সেকশন অফিসার সাইফুল ইসলাম বিভিন্ন সময় আলোচনায় সরকারকে নিয়ে বিভিন্ন কটুক্তিমূলক কথাবার্তা, খারাপ সমালোচনা করে থাকেন। এমনকি জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান কে নিয়ে গালিগালজ ও কটুক্তি করেছেন। তাঁর এসব অশালীন মন্তব্যে ফুঁসে উঠছেন এমপ্লয়ীজ ইউনিয়নের কর্মকর্তারা। তারা বর্তমান সরকারের বিরুদ্ধে এই কর্মকর্তার বিরুপ সমালোচনা মেনে নেওয়া যায় না বলে হুশিয়ারী দিয়েছেন। জানাযায়, সিলেট শিক্ষা বোর্ডের সেকশন অফিসার সাইফুল ইসলাম ২০০৮ সালে নারী ও শিশু নির্যাতনের একটি মামলায় ৬ মাস চাকরীতে অনুপস্থিত থাকেন। পরবর্তীতে মামলার রায় ঘোষিত হলে সাইফুল ইসলামকে ওই সময়ে আর্থিক সুবিধা হিসাবে এরিয়া দিতে বলা হয়।

জানাযায়, সাইফুল ইসলাম জামাত শিবিরের সিন্ডিকেট চক্রের সদস্য তাকে প্রশ্রয় দিচ্ছেন শিক্ষাবোর্ডের চেয়ারম্যান প্রফেসর আব্দুল কুদ্দুস। এ ব্যাপারে চেয়ারম্যানের সাথে যোগযোগ করা হলে তিনি কোনো কথা বলতে রাজি হননি। এমপ্লয়ীজ ইউনিয়নের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকরা বলেন, যার জন্ম না নিলে এদেশের জন্ম হতো না, সেই মহান ব্যক্তিকে নিয়ে কটুক্তি করা মানে পুরো জাতিকে অবমাননা করা হয়। আমরা এর সুষ্ঠু বিচার চাই। ঘটনার সত্যতা স্বীকার করেন সহকারী মূল্যায়ন কর্মকর্তা সুভাষ রঞ্জন দাশ। শিক্ষাবোর্ডের সচিব মোস্তফা কামাল বলেন, সরকারী কর্মকতা হয়ে জাতীয় দিবসে তার উপস্থিতি অসেন্তাষজনক। এ বিষয়ে সাইফুল ইসলামের কাছে জানতে চাইলে তিনি বিষয়টি অস্বীকার করে বলেন, আমি জাতির পিতা ও প্রধানমন্ত্রীকে নিয়ে কোনো কটুক্তি করিনি। এটা সম্পূর্ণ মিথ্যা। আমাকে ফাঁসানোর চেষ্টা করছে

সর্বশেষ সংবাদ

পাঠক

Flag Counter